v111-এর গল্প — কোথা থেকে শুরু, কোথায় এসেছি
২০১৮ সালের কথা। একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও স্পোর্টস-পাগল মানুষ মিলে ভাবলেন — বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করতে গেলে কেন এত ঝামেলা পোহাতে হয়? ভাষার বাধা, পেমেন্টের জটিলতা, বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন — সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ছিল বেশ হতাশাজনক। সেই হতাশা থেকেই জন্ম নিল v111।
শুরুটা ছিল ছোট। মাত্র কয়েকটি স্পোর্টস মার্কেট, সীমিত পেমেন্ট অপশন, কিন্তু একটা বিষয়ে কোনো আপস ছিল না — ব্যবহারকারীর আস্থা। প্রথম দিন থেকেই আমরা নিশ্চিত করেছি যে প্রতিটি টাকা সুরক্ষিত, প্রতিটি জয়ের অর্থ সময়মতো ফেরত দেওয়া হয়। সেই প্রতিশ্রুতিই আজ v111-কে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত করেছে।
আজ v111-এর পরিবারে আছেন ৫০ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। ঢাকার ব্যস্ত অফিসপাড়া থেকে শুরু করে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত, সিলেটের চা-বাগান এলাকা থেকে রংপুরের কৃষিভূমি — সর্বত্রই v111-এর সদস্যরা ছড়িয়ে আছেন। তাদের বিশ্বাস আর ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
আমাদের মূলনীতি: বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম, চাপের উৎস নয়। তাই v111-এ আমরা সবসময় দায়িত্বশীল বেটিংকে উৎসাহিত করি এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই।
প্রতিটি বড় ক্রিকেট ম্যাচে, প্রতিটি ফুটবল বিশ্বকাপের রাতে, প্রতিটি IPL সিজনে — v111 থাকে আপনার পাশে। লাইভ অডস, রিয়েল-টাইম স্কোর আপডেট, দ্রুত পেমেন্ট — সবকিছু একটাই অ্যাপে। বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যায় চব্বিশ ঘণ্টা, সাত দিন। কারণ আমরা জানি, একটা সমস্যা দেরিতে সমাধান হওয়া মানে একটা ম্যাচের আনন্দ নষ্ট হওয়া।
v111 শুধু একটি বেটিং সাইট নয়, এটা বাংলাদেশের কোটি স্পোর্টসপ্রেমীর একটি ডিজিটাল আড্ডাখানা। এখানে ক্রিকেট নিয়ে উত্তেজনা আছে, ফুটবলের নাটকীয়তা আছে, আর আছে প্রতিটি জয়ের পর সেই অনন্য আনন্দ — যা ভাষায় বোঝানো কঠিন।